
ফুলতলাতে শীর্ষ অপরাধের তালিকায়, সৈয়দ ইসরাফিল হোসেন রাজু,
নিষিদ্ধ সংগঠনের, আওয়ামী নেতাদের আশীর্বাদপুষ্ট সৈয়দ ইসরাফিল হোসেন রাজু, পিতা সৈয়দ আমজাদ হোসেন, পায় গ্রাম কসবা, শিশু পাচার, মাদক পাচার, জাল টাকার কারবারী, চোর সিন্ডিকেট, মোবাইল ব্যাংকিং প্রতারণা, একাধিক মেয়ে দিয়ে ব্ল্যাকমেইল করানো, এবং গ্রামের কিশোর বয়সের ছেলেদের মাদকাসক্ত করা, গডফাদার, সৈয়দ ইসরাফিল হোসেন রাজু, নিষিদ্ধ সংগঠনের আওয়ামী নেতাদের আশীর্বাদপুষ্ট প্রতারক, মাসহায়ার মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা, হাতিয়ে এনেছেন, বাংলাদেশের বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা চলমান, ২০৯ সাল থেকে প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তা, তার অবৈধ টাকার কাছে, সততা অসহায়, গ্রামে একাধিক প্রতিবাদ কারীদের কিছু দুষ্কৃতকারী প্রশাসনের লোককে ম্যানেজ করে মিথ্যা মামলা দিয়ে একাধিক লোককে জেল খাটিয়েছেন, বাদ পড়েননি জাতীয় দৈনিক মানবাধিকার সাংবাদিক, তার অপরাধের চিত্র তুলে ধরাতে সাংবাদিককে একাধিকবার দিয়েছেন মিথ্যা মামলা, সৈয়দ আলিম হোসেন অপরাধের পথ থেকে সরে আসতে বলায়, তাকে করেছে মিথ্যা মামলার আসামি, সৈয়দ ইয়ারালি হোসেন, মিলন শেখ, ইবাদুল হোসেন, সৈয়দ সাগর হোসেন, মিতু মির, ফয়সাল শেখ, শেখ শহিদুল ইসলাম মিঠু,
এই লোকগুলার পরিবারকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করেছেন, কেউ প্রতিবাদ করতে চাইলেই তাকেই আজগুবি মামলার শিকার হতে হচ্ছে, কিছু দুষ্কৃতকারী নেতাদের আশীর্বাদ পৃষ্ঠ হয়ে প্রকাশ্যে সকল অপরাধ চলমান রেখেছেন, মাসে মাসে গ্রেপ্তার হলেও কোট থেকে অতি সহজেই জামিন পান, কখনো স্ত্রীকে গ্রেফতার হন, আবার কখনো ছেলে আবার গডফাদার নিজে, একাধিক সদস্য নিয়ে সিন্ডিকেট বাড়িতে বসেই চলমান রেখেছেন, বাংলাদেশের বিভিন্ন থানায় গ্রেফতার হয়েছেন, ঠাকুরগাঁও, মেহেরপুর, মুজিবনগর, যশোর বসুন্দিয়া, যশোর অভয়নগর, খুলনা হরিণ্টানা,যশোর সদর, এবং ফুলতলা থানাতে একাধিক মামলা, থাকার পরও প্রকাশ্যে সকল অপরাধ চলমান, ছেলে মাদকাসক্ত মাদক সাপ্লাইকার, এবং কিশোর গ্যাং প্রতারণা চুরি বিভিন্ন সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছেন,
এবং শতাধিক ফেক আইডি খুলে, চাঁদাবাজি সন্ত্রাসী কার্যকলাপ, করে চলেছেন পায়গ্রামে একাধিক লোকের সঙ্গে প্রতারণা করে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন, সাধারণ মানুষ আতঙ্কিত অবস্থায় রাতযাপন করছেন, অতি দ্রুত প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করছেন সুশীল সমাজ ও গ্রামবাসী,